
মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় করা মামলায় স্পিড বোটের মালিক চাঁন মিয়া ওরফে চান্দু মোল্লাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (৮ মে) রাত আড়াইটার দিকে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের তেঘড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা দল ও র্যাব-১০ এর আভিযানিক দল। চান্দু মোল্লা এই মামলার ২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। তার বাড়ি মুন্সিগঞ্জে।
রোববার (৯ মে) বিকালে কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
র্যাব জানায়, গত ৩ মে মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা নদীতে নোঙর করে রাখা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ওই স্পিডবোটটি। এতে স্পিডবোটে থাকা ২৬ যাত্রী প্রাণ হারান। জীবিত উদ্ধার করা হয় পাঁচজনকে। এই ঘটনার পরদিন স্পিডবোটের চালক ও মালিকসহ চারজনের নামে শিবচর থানায় একটি মামলা করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, ঘটনার পর থেকেই স্পিডবোটের মালিক চান মিয়া পলাতক ছিলেন। পরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার মধ্যরাতে তাকে কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চান মিয়া র্যাবকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা কবলিত স্পিডবোটটির কোনো অনুমোদন ছিল না। তিনি অধিক মুনাফা লাভের আশায় ‘লকডাউনে’র মধ্যেই সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সেই স্পিডবোট দিয়ে যাত্রী পারাপার করছিলেন। তার বোটটিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা ছিল না।